এই গাইডে যা আলোচনা করা হয়েছে
- I-20 ফর্ম কী এবং কেন এটি F-1 ভিসার মূল ভিত্তি
- I-20 পাওয়ার জন্য DSO-কে কী কী আর্থিক দলিল দিতে হয়
- I-20-এর প্রথম ও দ্বিতীয় পাতায় কী কী তথ্য থাকে
- SEVIS কী এবং DHS কীভাবে শিক্ষার্থীদের তথ্য ব্যবস্থাপনা করে
- SEVIS ফি $350 — fmjfee.com-এ ধাপে ধাপে পরিশোধ পদ্ধতি
- I-20 ও DS-160-এ তারিখ মিলিয়ে রাখার গুরুত্ব
- F-1 স্ট্যাটাস বজায় রাখার সকল নিয়ম
- I-20-এর মেয়াদ বাড়ানো, ট্রান্সফার ও স্ট্যাটাস পরিবর্তন
- স্নাতকের পর ৬০ দিনের Grace Period
- সাধারণ ভুল ও তাদের সমাধান
I-20 কী — সংজ্ঞা ও গুরুত্ব
I-20, যার আনুষ্ঠানিক নাম "Certificate of Eligibility for Nonimmigrant Student Status" (Form I-20), হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের Department of Homeland Security (DHS) কর্তৃক অনুমোদিত একটি সরকারি ফর্ম যা SEVP-অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ কর্তৃক ইস্যু করা হয়। এই ফর্মটি প্রমাণ করে যে একজন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী নির্দিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একটি স্বীকৃত প্রোগ্রামে ভর্তি হয়েছেন এবং F-1 ভিসার জন্য যোগ্য।
F-1 ভিসার পুরো ভিত্তি I-20-এর উপর প্রতিষ্ঠিত। ভিসার জন্য আবেদন করতে হলে, বন্দরে প্রবেশের সময় এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে — প্রতিটি ধাপে I-20 প্রয়োজন হয়। সহজ ভাষায় বললে, I-20 ছাড়া F-1 ভিসা বিদ্যমান থাকতে পারে না।
I-20 কোথায় ব্যবহার করা হয়
- F-1 ভিসার জন্য DS-160 আবেদনে
- কনস্যুলেট ইন্টারভিউয়ে ভিসা অফিসারকে দেখাতে
- মার্কিন বন্দরে Customs and Border Protection (CBP) অফিসারকে দেখাতে
- SEVIS ফি পরিশোধের জন্য (SEVIS ID নম্বর থেকে)
- Social Security Number (SSN) আবেদনে
- CPT, OPT এবং অন্যান্য কর্মসংস্থান অনুমোদনে
- ড্রাইভার্স লাইসেন্স এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সময়
- বিদেশ থেকে পুনরায় প্রবেশের সময় বৈধতা যাচাইয়ে
মূল বিষয়: I-20 একটি চলমান নথি — পড়াশোনার পুরো সময় জুড়ে এটি আপডেট রাখতে হয়। প্রতিটি পরিবর্তন (প্রোগ্রাম পরিবর্তন, কর্মসংস্থান অনুমোদন, প্রোগ্রাম মেয়াদ বৃদ্ধি) নতুন I-20 ইস্যু করার প্রয়োজন হয়।
I-20 কীভাবে পাওয়া যায় — DSO, প্রয়োজনীয় দলিল ও সময়সীমা
I-20 ইস্যু করার একমাত্র কর্তৃপক্ষ হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের Designated School Official (DSO)। সাধারণত আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী দপ্তর বা International Student Services Office (ISSO) এই কাজটি সম্পাদন করে। ভর্তি নিশ্চিত হওয়ার পর DSO শিক্ষার্থীর পূর্ণ আর্থিক সক্ষমতা যাচাই করে তবেই I-20 প্রস্তুত করেন।
প্রয়োজনীয় আর্থিক দলিলসমূহ
I-20 পাওয়ার জন্য শিক্ষার্থীকে প্রমাণ করতে হয় যে তিনি বা তাঁর পরিবার পড়াশোনার পুরো খরচ বহন করতে সক্ষম। DSO সাধারণত নিচের দলিলগুলো চেয়ে থাকেন:
| দলিলের ধরন | বিবরণ | গুরুত্ব |
|---|---|---|
| ব্যাংক স্টেটমেন্ট | সর্বশেষ ৩–৬ মাসের স্টেটমেন্ট, যেখানে বার্ষিক খরচের সমপরিমাণ ব্যালেন্স দেখাতে হবে | সর্বোচ্চ — অপরিহার্য |
| Sponsor Letter | যদি অভিভাবক বা তৃতীয় পক্ষ খরচ বহন করেন, তাহলে স্বাক্ষরিত আর্থিক সহায়তার পত্র | উচ্চ — স্পনসরশিপের ক্ষেত্রে অপরিহার্য |
| আয়ের প্রমাণ | স্পনসরের বেতন সার্টিফিকেট, আয়কর রিটার্ন বা আয়ের অন্যান্য প্রমাণ | উচ্চ |
| বৃত্তি বা ফেলোশিপ পত্র | বিশ্ববিদ্যালয় বা বাহ্যিক সংস্থার বৃত্তির আনুষ্ঠানিক পত্র | প্রযোজ্য হলে উচ্চ |
| সম্পদের দলিল | জমি বা সম্পত্তির কাগজ, বিনিয়োগের প্রমাণ (কিছু ক্ষেত্রে) | পরিপূরক |
গুরুত্বপূর্ণ: আর্থিক দলিলে দেখানো অর্থ সাধারণত প্রথম বছরের মোট Cost of Attendance (CoA)-এর সমকক্ষ বা বেশি হতে হয়। বাংলাদেশ থেকে যাওয়া শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে ব্যাংক স্টেটমেন্ট বাংলায় হলে ইংরেজি অনুবাদ সহ জমা দেওয়া প্রয়োজন হতে পারে।
I-20 পাওয়ার সময়সীমা
ভর্তি নিশ্চিতকরণ ও I-20 অনুরোধ
Admission offer letter পাওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের পোর্টালে আর্থিক দলিল আপলোড করতে হয় এবং I-20 অনুরোধ করতে হয়। এই ধাপে ২–৬ সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।
DSO কর্তৃক I-20 প্রস্তুত ও প্রেরণ
দলিল যাচাইয়ের পর DSO SEVIS সিস্টেমে I-20 তৈরি করেন এবং শিক্ষার্থীর কাছে ইমেইলে বা ডাকে পাঠান। অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় এখন PDF আকারে ইমেইলে পাঠায়।
SEVIS ফি পরিশোধ
I-20 পাওয়ার পর ভিসা আবেদনের কমপক্ষে ৩ কার্যদিবস আগে fmjfee.com-এ SEVIS ফি ($350) পরিশোধ করতে হয়।
DS-160 পূরণ ও ভিসা ইন্টারভিউ
SEVIS ফি পরিশোধের পর DS-160 ফর্ম পূরণ করে কনস্যুলেটে ইন্টারভিউয়ের তারিখ নেওয়া হয়। ভিসার পেমেন্ট রিসিট, I-20, SEVIS ফি রিসিট এবং অন্যান্য দলিল নিয়ে ইন্টারভিউতে যেতে হয়।
কার্যকর পরামর্শ: যুক্তরাষ্ট্রে যাত্রার নির্ধারিত তারিখের কমপক্ষে ৩–৪ মাস আগে I-20 পাওয়ার চেষ্টা করা উচিত, কারণ ঢাকার কনস্যুলেটে ভিসা ইন্টারভিউর অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেতে অনেক সময় কয়েক মাস অপেক্ষা করতে হয়।
I-20-এ কী কী তথ্য থাকে — প্রথম ও দ্বিতীয় পাতার বিশদ ব্যাখ্যা
I-20 ফর্মে মোট তিনটি পাতা থাকে। তবে মূল তথ্য প্রথম দুটি পাতায় বিদ্যমান থাকে। প্রতিটি পাতায় কী থাকে তা জানা অত্যন্ত জরুরি, কারণ ভিসা ইন্টারভিউয়ে অফিসার এই তথ্যগুলো যাচাই করেন।
প্রথম পাতা (Page 1 — Student Copy)
১. শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত তথ্য
পাসপোর্ট অনুযায়ী পুরো নাম, জন্মতারিখ, জন্মস্থান ও জাতীয়তা। এই তথ্য পাসপোর্টের সাথে হুবহু মিলতে হবে — ন্যূনতম বানানের ভুলও পরে জটিলতা তৈরি করতে পারে।
২. SEVIS ID নম্বর
"N" অক্ষর দিয়ে শুরু হওয়া ১১ সংখ্যার একটি অনন্য শনাক্তকারী নম্বর (যেমন: N0123456789)। এই নম্বরটি SEVIS ফি পরিশোধে অপরিহার্য।
৩. বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য
বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম, SEVIS School Code (যেমন: NYC214F12345000), ঠিকানা এবং DSO-এর নাম ও স্বাক্ষর।
৪. প্রোগ্রামের তথ্য
ডিগ্রির স্তর (Bachelor's, Master's, PhD), পড়ার বিষয় (Major/Field of Study), Program Start Date এবং Program End Date। Program End Date অর্থাৎ I-20-এর মেয়াদ শেষের তারিখ — এই তারিখের মধ্যেই পড়াশোনা শেষ করতে হবে।
৫. আর্থিক তথ্য
প্রথম বছরে আনুমানিক মোট খরচ (Estimated Cost of Attendance), যেখানে টিউশন ফি, বাসস্থান, খাবার, স্বাস্থ্যবীমা এবং অন্যান্য ব্যয় অন্তর্ভুক্ত। পাশাপাশি অর্থের উৎস (ব্যক্তিগত তহবিল, স্পনসর, বৃত্তি) উল্লেখ থাকে।
৬. Report Date
শিক্ষার্থী সর্বশেষ কত তারিখের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে রিপোর্ট করতে পারবেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের তারিখ এই Report Date-এর ৩০ দিন আগের আগে হওয়া যাবে না। অর্থাৎ Report Date-এর ৩০ দিন আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করা যায়।
দ্বিতীয় পাতা (Page 2 — DSO Copy / School Copy)
দ্বিতীয় পাতায় DSO-এর জন্য প্রাসঙ্গিক তথ্য থাকে, তবে শিক্ষার্থীর জন্যও এটি বোঝা জরুরি। এখানে থাকে:
- Employment Authorization: CPT বা OPT অনুমোদিত হলে নিয়োগকর্তার নাম, কর্মসংস্থানের ধরন (পার্ট-টাইম বা ফুল-টাইম), শুরু ও শেষের তারিখ লেখা থাকে।
- Travel Endorsement: DSO-এর স্বাক্ষর ও তারিখ, যা বিদেশ ভ্রমণের পর পুনরায় প্রবেশের জন্য প্রয়োজন। এই স্বাক্ষর ১২ মাসের জন্য বৈধ।
- Remarks Section: DSO-এর বিশেষ মন্তব্য বা শর্ত।
- Reduced Course Load (RCL) অনুমোদন: যদি কোনো কারণে পূর্ণকালীনের কম কোর্স নেওয়ার অনুমতি থাকে।
ভ্রমণ সতর্কতা: বিদেশ ভ্রমণ করে পুনরায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের আগে I-20-এর দ্বিতীয় পাতায় DSO-এর সাম্প্রতিক (১২ মাসের মধ্যে) Travel Signature থাকতে হবে। পুরনো স্বাক্ষর দিয়ে প্রবেশের চেষ্টা করা হলে বন্দরে সমস্যা হতে পারে।
SEVIS কী — Student and Exchange Visitor Information System
SEVIS (Student and Exchange Visitor Information System) হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের Department of Homeland Security (DHS) কর্তৃক পরিচালিত একটি ওয়েব-ভিত্তিক তথ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি, যেখানে F-1, M-1 এবং J-1 ভিসাধারী শিক্ষার্থী ও বিনিময় দর্শনার্থীদের তথ্য সংরক্ষণ করা হয়।
SEVIS-এর মাধ্যমে DHS প্রতিনিয়ত নজর রাখে:
শিক্ষার্থী সংক্রান্ত
- নথিভুক্তির অবস্থা (Active/Inactive)
- পূর্ণকালীন বা খণ্ডকালীন কোর্স
- বর্তমান ঠিকানা
- প্রোগ্রামের অগ্রগতি
- ভিসার মেয়াদ ও ধরন
বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত
- SEVP অনুমোদনের অবস্থা
- কর্মরত DSO-দের তথ্য
- নথিভুক্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা
- CPT ও OPT অনুমোদনের রেকর্ড
প্রতিটি F-1 শিক্ষার্থীর একটি অনন্য SEVIS ID থাকে। DSO যখন I-20 তৈরি করেন, তখন SEVIS সিস্টেমে একটি রেকর্ড তৈরি হয়। শিক্ষার্থী ভিসা পেলে এবং যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করলে CBP সেই রেকর্ড সক্রিয় করে দেয়।
SEVIS Record সক্রিয় রাখা কেন জরুরি: যদি কোনো শিক্ষার্থীর SEVIS রেকর্ড Terminated (বাতিল) হয়ে যায়, তাহলে তাঁর F-1 স্ট্যাটাস আর বৈধ থাকে না। এই অবস্থায় দেশ থেকে পুনরায় ভিসা নিয়ে আসা ছাড়া আর বিকল্প থাকে না। SEVIS Termination ঘটতে পারে পূর্ণকালীন নথিভুক্তি না করলে, ঠিকানা রিপোর্ট না করলে, অবৈধ কর্মসংস্থান করলে বা I-20-এর মেয়াদ শেষ হলে।
SEVIS ফি কত ও কীভাবে দিতে হয় — ধাপে ধাপে নির্দেশিকা
F-1 ভিসার জন্য আবেদনের আগে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে SEVIS ফি পরিশোধ করতে হয়। এই ফি মার্কিন সরকারের SEVIS সিস্টেম পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
ফি-র পরিমাণ (২০২৬ সাল অনুযায়ী)
| ভিসার ধরন | ফি-র পরিমাণ | মন্তব্য |
|---|---|---|
| F-1 (একাডেমিক শিক্ষার্থী) | $350 USD | বেশিরভাগ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর জন্য প্রযোজ্য |
| M-1 (বৃত্তিমূলক শিক্ষার্থী) | $350 USD | Vocational/Technical program |
| J-1 (বিনিময় দর্শনার্থী) | $220 USD | Exchange Visitor Program |
সতর্কতা: SEVIS ফি একটি অ-ফেরতযোগ্য (non-refundable) ফি। ভিসা প্রত্যাখ্যাত হলেও বা পরিকল্পনা পরিবর্তন হলেও এই অর্থ ফেরত পাওয়া যায় না। তবে একই SEVIS ID নম্বর ব্যবহার করে ১২ মাসের মধ্যে আবার আবেদন করলে পুনরায় ফি দেওয়ার প্রয়োজন হয় না।
fmjfee.com-এ SEVIS ফি পরিশোধ — ধাপে ধাপে
SEVIS ফি পরিশোধের একমাত্র অফিসিয়াল ওয়েবসাইট হলো www.fmjfee.com। তৃতীয় পক্ষের কোনো ওয়েবসাইটে পরিশোধ না করাই বাঞ্ছনীয়।
ওয়েবসাইট খুলুন ও "Pay I-901 Fee" বাটনে ক্লিক করুন
www.fmjfee.com খুলুন। হোমপেজে "Pay I-901 Fee" লেখা বাটনে ক্লিক করুন। নিশ্চিত করুন যে ঠিকানার বারে https:// আছে — এটি একটি নিরাপদ সংযোগের প্রমাণ।
ভিসার ধরন নির্বাচন করুন
"Student (F or M)" নির্বাচন করুন। বাংলাদেশ থেকে আসা প্রায় সকল শিক্ষার্থীর জন্য এটিই প্রযোজ্য। J-1 Exchange Visitor হলে "Exchange Visitor (J)" নির্বাচন করতে হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য পূরণ করুন
I-20 দেখে নিচের তথ্য হুবহু পূরণ করুন:
— পাসপোর্ট অনুযায়ী পুরো নাম (Last Name, First Name)
— জন্মতারিখ (MM/DD/YYYY ফরম্যাটে)
— দেশ (Bangladesh)
— SEVIS ID নম্বর (I-20-এর উপরে "N" দিয়ে শুরু ১১ সংখ্যার নম্বর)
— School Code (I-20-তে উল্লিখিত)
তথ্য যাচাই করুন
সিস্টেম SEVIS ডেটাবেস থেকে শিক্ষার্থীর তথ্য পুনরুদ্ধার করে দেখাবে। নাম, স্কুল কোড এবং প্রোগ্রামের তথ্য মিলিয়ে দেখুন। যদি তথ্য না মেলে, সরাসরি DSO-এর সাথে যোগাযোগ করুন।
পেমেন্ট পদ্ধতি নির্বাচন করুন
পেমেন্টের বিকল্পগুলো:
— Credit/Debit Card (Visa, MasterCard, American Express): সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি
— Electronic Check (eCheck/ACH): মার্কিন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকলে
— Western Union Quick Pay: দেশ থেকে পরিশোধের ক্ষেত্রে
বাংলাদেশ থেকে আন্তর্জাতিক ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড থাকলে সরাসরি পরিশোধ করা যায়।
পেমেন্ট সম্পন্ন করুন ও রিসিট সংরক্ষণ করুন
পেমেন্ট সম্পন্ন হলে একটি I-901 Payment Confirmation পাওয়া যাবে। এই রিসিটটি PDF আকারে ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করুন এবং কয়েকটি কপি প্রিন্ট করুন। ভিসা ইন্টারভিউতে এবং প্রবেশ বন্দরে এই রিসিট প্রয়োজন হতে পারে।
৩ কার্যদিবস অপেক্ষা করুন
পেমেন্ট সিস্টেমে প্রতিফলিত হতে ৩ কার্যদিবস (Business Days) সময় লাগে। এই সময়ের আগে ভিসা ইন্টারভিউ দেওয়া যাবে না। অর্থাৎ ইন্টারভিউর কমপক্ষে ৩ কার্যদিবস আগে ফি পরিশোধ করতে হবে।
SEVIS ফি না দিলে কী হয়
SEVIS ফি পরিশোধ না করে কনস্যুলেট ইন্টারভিউতে গেলে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি। এছাড়াও নিম্নলিখিত সমস্যাগুলো দেখা দিতে পারে:
ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যাত
কনস্যুলেট সিস্টেমে SEVIS ফি পরিশোধের যাচাই হয়। ফি না থাকলে DS-160 প্রক্রিয়াকরণও হয় না এবং ভিসা প্রদান করা সম্ভব হয় না।
বন্দরে প্রবেশে বাধা
বিরল হলেও কিছু ক্ষেত্রে CBP অফিসার বন্দরে SEVIS ফি যাচাই করেন। পরিশোধ না হলে প্রবেশ অস্বীকার করা হতে পারে।
SEVIS রেকর্ড সক্রিয় না হওয়া
ফি পরিশোধ না হলে SEVIS রেকর্ড সক্রিয় হওয়ার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হতে পারে, যা পরবর্তীতে নথিভুক্তি ও ভিসা স্ট্যাটাসে সমস্যা তৈরি করতে পারে।
I-20 ও DS-160-এ তারিখ মেলানো কেন জরুরি
DS-160 হলো F-1 ভিসার আবেদন ফর্ম যা অনলাইনে পূরণ করতে হয়। I-20-এর তথ্য ও DS-160-এর তথ্যের মধ্যে কোনো অসঙ্গতি থাকলে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হতে পারে।
যে তারিখগুলো অবশ্যই মিলতে হবে
| তথ্যের বিষয় | I-20-তে | DS-160-তে | কেন গুরুত্বপূর্ণ |
|---|---|---|---|
| Program Start Date | Section 2 বা 5-এ উল্লিখিত | "Arrival Date" বা "Course of Study Begins" ফিল্ডে | ভুল হলে Entry Stamp-এ সমস্যা হতে পারে |
| Program End Date | Section 5-এ Program End Date | "Intended Length of Stay" ফিল্ডে | I-20-এর মেয়াদ শেষে D/S (Duration of Status) |
| SEVIS ID | উপরে "N" দিয়ে শুরু নম্বর | DS-160-এর নির্দিষ্ট ফিল্ডে | SEVIS ফি পরিশোধের যাচাই করতে ব্যবহৃত হয় |
| School/Program Information | বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ও ঠিকানা | "Name of School" ও "Address of School" ফিল্ডে | অসঙ্গতি থাকলে অতিরিক্ত যাচাই প্রয়োজন হতে পারে |
বিশেষ সতর্কতা — Report Date: I-20-এ উল্লিখিত Report Date-এর ৩০ দিনের আগে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করা যাবে না। যেমন, Report Date যদি ১ সেপ্টেম্বর হয়, তাহলে সর্বশেষ ২ আগস্ট থেকে প্রবেশ করা যাবে। এর আগে গেলে CBP প্রবেশ অনুমতি দিতে পারে, তবে সমস্যাও হতে পারে।
F-1 স্ট্যাটাস বজায় রাখার নিয়ম
F-1 স্ট্যাটাস হারানো একটি অত্যন্ত গুরুতর পরিস্থিতি। তা থেকে পুনরুদ্ধার করা কঠিন, ব্যয়বহুল এবং অনেক ক্ষেত্রে দেশে ফিরে পুনরায় ভিসা নেওয়া ছাড়া সম্ভব নয়। নিচে F-1 স্ট্যাটাস বজায় রাখার মূল শর্তগুলো বর্ণিত হলো:
১. পূর্ণকালীন নথিভুক্তি (Full-Time Enrollment)
প্রতি সেমেস্টারে পূর্ণকালীন ছাত্র হিসেবে নথিভুক্ত থাকা F-1 স্ট্যাটাসের সবচেয়ে মৌলিক শর্ত।
- Undergraduate: সাধারণত প্রতি সেমেস্টারে ন্যূনতম ১২ ক্রেডিট ঘন্টা
- Graduate: সাধারণত প্রতি সেমেস্টারে ন্যূনতম ৯ ক্রেডিট ঘন্টা (বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে ভিন্ন হতে পারে)
- গ্রীষ্মকালীন সেশনে পূর্ণকালীন থাকা বাধ্যতামূলক নয়, যদি Fall ও Spring সেমেস্টারে পূর্ণকালীন ছিলেন
- ব্যতিক্রম শুধুমাত্র DSO-এর Reduced Course Load (RCL) অনুমোদনক্রমে — শুধুমাত্র Academic difficulty, Medical condition বা Final semester-এর জন্য
২. ঠিকানা রিপোর্টিং
যুক্তরাষ্ট্রে ঠিকানা পরিবর্তনের ১০ দিনের মধ্যে DSO-কে নতুন ঠিকানা জানানো আইনি বাধ্যবাধকতা। অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী পোর্টালে অনলাইনে ঠিকানা আপডেট করার সুবিধা রয়েছে।
৩. অনুমোদিত কর্মসংস্থান
F-1 শিক্ষার্থীরা শুধুমাত্র নিচের অনুমোদিত পদ্ধতিতে কাজ করতে পারেন:
- On-Campus Employment: সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২০ ঘন্টা (ক্লাস চলাকালীন), ছুটিতে সীমাহীন — DSO অনুমোদন ছাড়াই
- CPT: DSO অনুমোদনক্রমে — পাঠ্যক্রমের অংশ হিসেবে
- OPT: USCIS অনুমোদনক্রমে — স্নাতকের আগে বা পরে
- Off-Campus Employment (বিশেষ পরিস্থিতিতে): আর্থিক সংকটে DSO ও USCIS অনুমোদনক্রমে
অবৈধ কর্মসংস্থান — কঠিন পরিণতি: অনুমোদন ছাড়া কাজ করলে F-1 স্ট্যাটাস অবিলম্বে বাতিল হয়ে যায় এবং SEVIS Termination হতে পারে। ভবিষ্যতে যেকোনো মার্কিন ভিসার আবেদনে এটি বিরূপ প্রভাব ফেলে।
৪. ভ্রমণ ও পুনঃপ্রবেশ
বিদেশ ভ্রমণের আগে নিচের বিষয়গুলো নিশ্চিত করা প্রয়োজন:
- I-20-এ DSO-এর সাম্প্রতিক Travel Signature (১২ মাসের মধ্যে) থাকতে হবে
- বৈধ F-1 ভিসা থাকতে হবে (ভিসার মেয়াদ শেষ হলে দেশে গিয়ে নবায়ন করতে হবে)
- ভালো একাডেমিক অবস্থান (Good Academic Standing) থাকতে হবে
- বিশ্ববিদ্যালয়কে ভ্রমণ পরিকল্পনা জানানো উচিত
৫. একাডেমিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া
F-1 শিক্ষার্থীকে নিয়মিতভাবে ক্লাস করতে হবে এবং একাডেমিক প্রগ্রেসে থাকতে হবে। যদি পড়াশোনার বিষয়, স্তর বা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবর্তন করতে হয়, তাহলে DSO-কে আগেই জানাতে হবে এবং নতুন I-20 সংগ্রহ করতে হবে।
I-20 মেয়াদ শেষ হলে কী করতে হয় — Program Extension
I-20-এ উল্লিখিত Program End Date-এর মধ্যে যদি ডিগ্রি সম্পন্ন করা না যায়, তাহলে মেয়াদ শেষের আগেই Program Extension আবেদন করতে হবে। মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে আবেদন করলে F-1 স্ট্যাটাস বাতিল হয়ে যাবে।
Program Extension-এর প্রক্রিয়া
Academic Advisor-এর সাথে পরামর্শ করুন
Program Extension-এর কারণ (Compelling Academic or Medical Reason) একাডেমিক উপদেষ্টার সাথে আলোচনা করে নথিভুক্ত করুন। সাধারণ কারণগুলো: গবেষণায় বিলম্ব, কোর্স পরিবর্তন, বা মেডিকেল পরিস্থিতি।
DSO-কে সময়মতো জানান
Program End Date-এর কমপক্ষে ৩০–৬০ দিন আগে DSO-কে Extension-এর কারণ ও প্রমাণ জমা দিন। বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে এই আবেদনের জন্য নির্দিষ্ট ফর্ম রয়েছে।
নতুন I-20 সংগ্রহ করুন
DSO অনুমোদন দিলে নতুন Program End Date সহ একটি নতুন I-20 ইস্যু করা হবে। পুরনো I-20 সংরক্ষণ করুন — এটি পরবর্তীতে নথিপত্রের প্রমাণ হিসেবে কাজ করবে।
মেয়াদোত্তীর্ণ I-20 — গুরুতর পরিণতি: I-20-এর Program End Date পার হয়ে গেলে F-1 স্ট্যাটাস স্বয়ংক্রিয়ভাবে শেষ হয়। এই অবস্থায় Grace Period (৬০ দিন) শুরু হয়। Grace Period-এর মধ্যেও কাজ করা বেআইনি এবং দেশে ফেরা ছাড়া আর কোনো বিকল্প থাকে না। তাই সময়মতো Extension নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
Transfer ও Change of Status-এ I-20 কীভাবে কাজ করে
এক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে Transfer
F-1 শিক্ষার্থী এক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থানান্তর হলে SEVIS Transfer প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। এই প্রক্রিয়া না মানলে SEVIS রেকর্ড Terminated হতে পারে।
নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের DSO-কে ট্রান্সফার Release Date জানান
বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয়ের DSO-কে ট্রান্সফারের ইচ্ছা জানান এবং SEVIS Release Date নির্ধারণ করুন। এই তারিখের পর নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের DSO SEVIS রেকর্ড নিয়ন্ত্রণ নেবেন।
নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের I-20 সংগ্রহ করুন
নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের DSO নতুন SEVIS ID সহ একটি নতুন I-20 ইস্যু করবেন। পুরনো ও নতুন উভয় I-20 এবং SEVIS Release Letter সংরক্ষণ করুন।
নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ে রিপোর্ট করুন
SEVIS Release Date-এর ১৫ দিনের মধ্যে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ে রিপোর্ট করতে হবে এবং নথিভুক্তি সম্পন্ন করতে হবে।
Change of Status (ভিসার ধরন পরিবর্তন)
F-1 থেকে অন্য ভিসা (যেমন H-1B, O-1, B-2 ইত্যাদি) অথবা অন্য ভিসা থেকে F-1-এ পরিবর্তন করলে USCIS-এ Change of Status আবেদন করতে হয়। এই ক্ষেত্রে:
- F-1-এ পরিবর্তন হলে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি নিশ্চিত করে নতুন I-20 সংগ্রহ করতে হবে
- তারপর Form I-539 (বা I-129 নিয়োগকর্তার মাধ্যমে) পূরণ করে USCIS-এ জমা দিতে হবে
- Change of Status প্রক্রিয়া চলাকালীন দেশে গেলে USCIS আবেদন বাতিল হয়ে যায়
- SEVIS ফি পুনরায় পরিশোধ করতে হতে পারে
পরামর্শ: Transfer বা Change of Status উভয় ক্ষেত্রেই একজন অভিজ্ঞ অভিবাসন আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত বাঞ্ছনীয়। ভুল প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে ভবিষ্যতে ভিসা পেতে জটিলতা হতে পারে।
Grace Period — স্নাতকের পর ৬০ দিন
F-1 শিক্ষার্থীর প্রোগ্রাম সম্পন্ন হওয়ার পর (Program End Date বা স্নাতক যেটি আগে হোক) ৬০ দিনের Grace Period দেওয়া হয়। এই সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীকে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করতে হবে অথবা নিচের যেকোনো একটি পদক্ষেপ নিতে হবে:
OPT আবেদন করা
Post-Completion OPT-এর জন্য USCIS-এ আবেদন করা — এটি সবচেয়ে সাধারণ পদক্ষেপ। OPT EAD কার্ড পাওয়ার পর বৈধভাবে কাজ করা যায়।
নতুন প্রোগ্রামে ভর্তি
একই বা অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চতর ডিগ্রিতে ভর্তি হয়ে নতুন I-20 সংগ্রহ করা। যেমন, Bachelor's শেষে Master's প্রোগ্রামে ভর্তি।
অন্য ভিসায় Change of Status
H-1B বা অন্য কোনো অ-অভিবাসী ভিসার মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান অব্যাহত রাখা।
যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করা
৬০ দিনের মধ্যে স্বেচ্ছায় যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করা। এতে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদনে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়ে না।
সতর্কতা — Grace Period-এ কাজ নিষিদ্ধ: ৬০ দিনের Grace Period-এ কর্মসংস্থান করা সম্পূর্ণ বেআইনি। OPT EAD কার্ড পাওয়ার আগে কোনো অর্থপ্রদানমূলক কাজ করা যাবে না। Grace Period শুধুমাত্র দেশ ত্যাগ বা পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুতির সময়।
সাধারণ ভুল ও সমাধান
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে I-20 ও SEVIS সংক্রান্ত কিছু সাধারণ ভুল দেখা যায়। এই ভুলগুলো এড়ানো গেলে অনেক জটিলতা থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব:
| সাধারণ ভুল | পরিণতি | সমাধান |
|---|---|---|
| I-20-এ নামের বানান পাসপোর্টের সাথে না মেলা | ভিসা সমস্যা, বন্দরে দেরি | I-20 পাওয়ার সাথে সাথে DSO-কে জানিয়ে সংশোধন করুন |
| SEVIS ফি ভিসা ইন্টারভিউর দিনে পরিশোধ করা | ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার সম্ভাবনা | ইন্টারভিউর কমপক্ষে ৩ কার্যদিবস আগে পরিশোধ করুন |
| I-20-এর মেয়াদ শেষ না হতে Extension না নেওয়া | F-1 স্ট্যাটাস হারানো | Program End Date-এর ৩০–৬০ দিন আগে DSO-এর সাথে যোগাযোগ করুন |
| ঠিকানা পরিবর্তনের পর DSO-কে না জানানো | SEVIS নথিভঙ্গ, ভবিষ্যতে সমস্যা | ঠিকানা পরিবর্তনের ১০ দিনের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের পোর্টালে আপডেট করুন |
| Travel Signature না নিয়ে বিদেশ ভ্রমণ | পুনরায় প্রবেশে বাধা | ভ্রমণের আগে DSO-এর কাছ থেকে Travel Endorsement সংগ্রহ করুন |
| DSO অনুমোদন ছাড়া Off-Campus কাজ করা | SEVIS Termination, F-1 বাতিল | যেকোনো কর্মসংস্থানের আগে DSO-এর সাথে পরামর্শ করুন |
| Grace Period-এ কাজ করা | অভিবাসন আইন লঙ্ঘন, ভবিষ্যতে ভিসা সমস্যা | OPT EAD কার্ড না পাওয়া পর্যন্ত কোনো কাজ করবেন না |
| কোর্স ড্রপ করে Full-Time-এর নিচে নেমে যাওয়া | F-1 স্ট্যাটাস লঙ্ঘন | কোর্স ড্রপের আগে DSO-এর সাথে Reduced Course Load সম্পর্কে কথা বলুন |
সেরা অভ্যাস: DSO-কে "Worried কি না" ভাবার আগেই যোগাযোগ করুন। DSO-রা শিক্ষার্থীদের সাহায্য করার জন্যই নিয়োজিত। যেকোনো পরিবর্তন বা অনিশ্চয়তায় প্রথমেই DSO-এর সাথে কথা বলুন — পরে সমস্যা হলে সমাধান অনেক কঠিন হয়ে যায়।
দ্রুত রেফারেন্স — গুরুত্বপূর্ণ তারিখ ও সংখ্যা
| বিষয় | সময়সীমা বা পরিমাণ |
|---|---|
| SEVIS ফি (F-1) | $350 USD |
| SEVIS ফি পরিশোধের পর ভিসা ইন্টারভিউর আগে অপেক্ষার সময় | ন্যূনতম ৩ কার্যদিবস |
| Report Date-এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি | সর্বোচ্চ ৩০ দিন আগে |
| ঠিকানা পরিবর্তনের পর DSO-কে জানানোর সময়সীমা | ১০ দিন |
| Travel Signature-এর বৈধতা | ১২ মাস |
| স্নাতকের পর Grace Period | ৬০ দিন |
| Program Extension আবেদনের সুপারিশকৃত সময় | Program End Date-এর ৩০–৬০ দিন আগে |
| SEVIS Transfer-এর পর নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ে রিপোর্টের সময়সীমা | Release Date-এর ১৫ দিনের মধ্যে |
| Undergraduate Full-Time ন্যূনতম ক্রেডিট | ১২ ক্রেডিট ঘন্টা প্রতি সেমেস্টারে |
| Graduate Full-Time ন্যূনতম ক্রেডিট (সাধারণ) | ৯ ক্রেডিট ঘন্টা প্রতি সেমেস্টারে |
সরকারি তথ্যসূত্র
I-20, SEVIS এবং F-1 ভিসা সংক্রান্ত নির্ভরযোগ্য তথ্যের জন্য নিচের সরকারি ওয়েবসাইটগুলো পরামর্শ করা উচিত:
- Study in the States (DHS): studyinthestates.dhs.gov — F-1 ও M-1 শিক্ষার্থীদের জন্য DHS-এর অফিসিয়াল তথ্য পোর্টাল
- SEVIS ফি পরিশোধ: www.fmjfee.com — I-901 SEVIS ফি পরিশোধের একমাত্র অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
- USCIS (US Citizenship and Immigration Services): www.uscis.gov — OPT, Change of Status ও অভিবাসন সংক্রান্ত তথ্য
- US Department of State: travel.state.gov — DS-160 এবং কনস্যুলার ভিসা প্রক্রিয়া সংক্রান্ত তথ্য
- US Embassy Dhaka: bd.usembassy.gov — বাংলাদেশ থেকে ভিসা আবেদনের তথ্য
পরবর্তী পদক্ষেপ
📬 প্রতি শুক্রবার একটি কাজের টিপ
আমেরিকায় পড়াশোনা ও ক্যারিয়ার বিষয়ে ব্যবহারিক বাংলা নির্দেশিকা সরাসরি আপনার ইনবক্সে।